এক নজরে
ব্যবহার বন্ধ করুন, ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের যত্ন নিন, আর প্রমাণ সংরক্ষণ করুন। যে ক্রমে কাজ হয়।
আসলটা কিনতে চান? TheSkinProof-এর প্রতিটি পণ্য ইনভয়েস-ভেরিফায়েড।
ফ্রি প্রোডাক্ট চেক করুন →প্রথমে ত্বক
১. সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার বন্ধ করুন
একই সময়ে শুরু করা অন্য পণ্যগুলোও থামান — তাহলে কোনটি থেকে কী হয়েছে বোঝা যাবে।
২. দুই সপ্তাহ মৌলিক রুটিনে ফিরুন
মৃদু ক্লিনজার, সাধারণ ময়েশ্চারাইজার, সানস্ক্রিন। ব্যারিয়ার থিতু না হওয়া পর্যন্ত কোনো অ্যাক্টিভ নয়। ব্যারিয়ার মেরামত দেখুন।
৩. শুধু জ্বালার বেশি কিছু হলে ডাক্তার দেখান
ছড়িয়ে পড়া র্যাশ, ফোলাভাব, বা বন্ধ করার পর অবস্থা আরও খারাপ হওয়া — এগুলো স্টেরয়েডযুক্ত পণ্যের ইঙ্গিত হতে পারে। রিবাউন্ড বাস্তব, এবং এতে চিকিৎসকের পরামর্শ লাগে।
এরপর প্রমাণ
৪. সবকিছু রেখে দিন
পণ্য, বাক্স, অর্ডার কনফার্মেশন, বিক্রেতার সাথে চ্যাট, পেমেন্টের রেকর্ড। ব্যাচ কোড মুছে যাওয়ার আগে ছবি তুলে রাখুন।
৫. লিখিতভাবে রিফান্ড চান
শুধু ব্যক্তিগত চ্যাটে নয়, প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে — যাতে সময়সহ একটি রেকর্ড থাকে।
৬. রিপোর্ট করুন
রিপোর্ট না থাকলে পরের ক্রেতার কোনো উপকার হয় না। নকল পণ্য রিপোর্ট করার উপায়।
অস্বস্তিকর সত্যটা
পণ্যটি যদি এমন বিক্রেতার কাছ থেকে আসে যে দেখাতে পারে না স্টক কোন পথে দেশে ঢুকেছে, তাহলে রিফান্ডের রাস্তা প্রায়ই থাকে না। অযাচাইযোগ্য কেনাকাটার আসল খরচ এটাই — বোতলের দাম নয়।
ভেরিফায়েড কিনুন
TheSkinProof প্রতিটি পণ্যের ব্যাচ ইমপোর্টার ইনভয়েসের সাথে মেলায়, নকল প্রমাণিত হলে ২× মানি-ব্যাক। ব্যাচ কোড যাচাই
সাধারণ জিজ্ঞাসা
নকল পণ্য ব্যবহারের পর ত্বকের কী করব?
সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দুই সপ্তাহ শুধু মৃদু ক্লিনজার, ময়েশ্চারাইজার ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। র্যাশ ছড়ালে বা বন্ধ করার পর খারাপ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
রিফান্ড পেতে কী লাগবে?
পণ্য, বাক্স, অর্ডার রেকর্ড, পেমেন্টের প্রমাণ ও ব্যাচ কোডের ছবি। অনুরোধটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লিখিতভাবে করুন।
বন্ধ করার পর ত্বক আরও খারাপ হচ্ছে কেন?
এটি স্টেরয়েডযুক্ত পণ্যের রিবাউন্ড হতে পারে — ব্রণ, লালচে ভাব ও সংবেদনশীলতা বেড়ে যায়। নিজে থেকে নতুন পণ্য না লাগিয়ে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দেখান।
হাতে থাকা পণ্যটি আসলেই নকল কিনা কীভাবে নিশ্চিত হব?
বক্সের ভেতরের ব্যাচ কোড কনটেইনারের ব্যাচ কোডের সাথে মিলছে কিনা দেখুন, প্রিন্টের স্পষ্টতা যাচাই করুন এবং টেক্সচার বা গন্ধ স্বাভাবিকের চেয়ে আলাদা লাগছে কিনা লক্ষ্য করুন। এই তিনটির মধ্যে যেকোনো একটিতে গরমিল থাকলে সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ আছে।
পরেরবার থেকে নকল এড়াতে কোথা থেকে কিনলে বেশি নিরাপদ?
এমন বিক্রেতা বেছে নিন যিনি আমদানিকারকের ইনভয়েস ও ব্যাচ নম্বর দেখাতে পারেন। TheSkinProof একটি ইনভয়েস-যাচাইকৃত স্কিনকেয়ার মার্কেটপ্লেস, যেখানে প্রতিটি পণ্য তালিকাভুক্ত করার আগে আমদানি নথির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়।
ক্যাশ অন ডেলিভারিতে কেনা পণ্য নকল বের হলে কি ফেরত দেওয়া যায়?
হ্যাঁ, ক্যাশ অন ডেলিভারিতে কেনা হলেও বিক্রেতার রিফান্ড বা রিটার্ন নীতি একই থাকা উচিত। অর্ডার কনফার্মেশন ও পেমেন্টের প্রমাণ রেখে দিলে দাবি করা সহজ হয়।
নকল পণ্যে প্রতিক্রিয়া হলে কোন ত্বকের ধরনে ঝুঁকি বেশি?
সংবেদনশীল ত্বকে ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, কারণ এটি অনিয়ন্ত্রিত বা ভেজাল উপাদানে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়। লালচে ভাব বা জ্বালা দেখা দিলে অবিলম্বে ব্যবহার বন্ধ করুন।
