এক নজরে
শীতের চুলকানির প্রধান কারণ শুষ্ক ত্বক: কুসুম গরম পানিতে ছোট গোসল, Cetaphil Gentle Cleansing Bar, আর গোসলের ৩ মিনিটের মধ্যে Bioderma Atoderm Crème বা Cetaphil Moisturizing Cream। রাতে চুলকানি বাড়লে বা বাড়ির আরও কেউ চুলকালে ডাক্তার দেখান।
✓ ভেরিফায়েড • ২× মানি-ব্যাকBioderma Atoderm Crème Ultra-Nourishing Creamশুরু ৳2,799কিনুন →ছোট উত্তর
শীতে সারা শরীর চুলকানোর সবচেয়ে সাধারণ কারণ শুষ্ক ত্বক, আর তা বাড়ায় গরম পানিতে লম্বা গোসল, কড়া সাবান, সরাসরি গায়ে উলের কাপড় আর ঘরের শুকনো বাতাস। কুসুম গরম পানিতে ১০ মিনিটের গোসল করুন, সাবানের বদলে Cetaphil Gentle Cleansing Bar বা Cetaphil Gentle Skin Cleanser Normal To Dry & Sensitive Skin ব্যবহার করুন, আর গোসলের ৩ মিনিটের মধ্যে সারা গায়ে সুগন্ধি ছাড়া ঘন ক্রিম দিন, যেমন Bioderma Atoderm Crème Ultra-Nourishing Cream বা Cetaphil Moisturizing Cream for Dry Skin। এক সপ্তাহেই সাধারণত আরাম আসে। কিন্তু রাতে চুলকানি খুব বাড়লে, বাড়ির আরও কেউ চুলকালে, দানা বা গোল দাগ থাকলে, বা দুই সপ্তাহেও না কমলে ডাক্তার দেখান। নিজে নিজে স্টেরয়েড ক্রিম কিনে লাগাবেন না।
শীতে শরীর চুলকায় কেন
শীতে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়। ত্বকের ওপরের স্তর, যাকে ব্যারিয়ার বলে, তখন পানি ধরে রাখতে পারে না। ত্বকে খুব ছোট ছোট ফাটল তৈরি হয়, আর সেই ফাটলে স্নায়ু সহজে উত্তেজিত হয়। ফলে চুলকানি। ডাক্তাররা একে প্রায়ই "উইন্টার ইচ" বা শুষ্ক ত্বকের চুলকানি বলেন। এর পেছনে কয়েকটা অভ্যাস কাজ করে:
- গরম পানিতে গোসল। শীতে গরম পানি আরাম দেয়, কিন্তু ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে ফেলে। যত গরম আর যত লম্বা গোসল, তত বেশি শুষ্কতা। বিস্তারিত আছে শীতে গরম পানিতে গোসল লেখায়।
- সাবান। সাধারণ গোসলের সাবান, অ্যান্টিসেপটিক সাবান বা কাপড় কাচার সাবানে ক্ষার বেশি। সারা গায়ে ঘষলে তেল একদম উঠে যায়।
- উলের কাপড়। সোয়েটার, মাফলার বা কম্বলের উল সরাসরি চামড়ায় লাগলে খোঁচা দেয়। শুষ্ক ত্বকে এটা চুলকানি অনেক বাড়ায়।
- শুকনো ঘর। রুম হিটার বা বন্ধ ঘরে বাতাস আরও শুকনো হয়।
- পানি কম খাওয়া। শীতে তৃষ্ণা কম লাগে, কিন্তু শুধু পানি খেয়ে শুষ্ক ত্বক ঠিক হয় না। বাইরে থেকে ময়েশ্চারাইজার লাগবেই।
- বয়স। ৬০-এর পর ত্বকের তেল এমনিতেই কমে যায়। তাই বাবা-মা, দাদা-দাদির শীতে চুলকানি বেশি হয়। তাঁদের জন্য আলাদা গাইড আছে: বয়স্কদের শীতে ত্বক ফাটা ও চুলকানি।
চুলকানি থামানোর রুটিন: কখন, কতটুকু, কীভাবে
গোসলের সময়
- পানি কুসুম গরম রাখুন। হাত দিলে আরাম লাগবে, চামড়া লাল হবে না।
- ৫–১০ মিনিটের মধ্যে শেষ করুন।
- সাবান শুধু বগল, কুঁচকি আর পায়ে দিন। হাত-পা আর পিঠে প্রতিদিন সাবান ঘষার দরকার নেই। মৃদু বার হিসেবে Cetaphil Gentle Cleansing Bar, তরল চাইলে Cetaphil Gentle Skin Cleanser Normal To Dry & Sensitive Skin।
- লুফা, ঝামা বা খসখসে গামছা দিয়ে ঘষবেন না।
- নরম তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে মুছুন, ত্বক একটু ভেজা থাকুক।
গোসলের ৩ মিনিটের মধ্যে
- সারা গায়ে সুগন্ধি ছাড়া ঘন ক্রিম দিন। এক হাতে প্রায় এক চা চামচ, এক পায়ে প্রায় দুই চা চামচ। পরিবারের সবাই মিলে ব্যবহারের জন্য বড় কৌটা Cetaphil Moisturizing Cream for Dry Skin সুবিধাজনক। খুব শুষ্ক, আঁশ-ওঠা ত্বকে Bioderma Atoderm Crème Ultra-Nourishing Cream বেশি আরাম দেয়। হালকা কিছু চাইলে CeraVe Moisturising Lotion for Dry to Very Dry Skin। কেন এই ৩ মিনিট জরুরি, তা আছে গোসলের পর ৩ মিনিটের নিয়মে।
রাতে
- ঘুমানোর আগে যেখানে বেশি চুলকায় (পায়ের নলা, পিঠ, কোমর, হাতের বাইরের দিক) সেখানে আবার ক্রিম দিন।
- খুব খসখসে ছোট জায়গায়, যেমন কনুই বা নলার এক টুকরো জায়গায়, Bioderma Atoderm Intensive Baume পাতলা করে দিন।
- নখ ছোট রাখুন, যাতে ঘুমের মধ্যে চুলকালেও চামড়া না ছেঁড়ে।
সারাদিন
- চুলকানি উঠলে নখ দিয়ে না চুলকে ঠান্ডা ভেজা কাপড় ৫ মিনিট চেপে ধরুন, তারপর ক্রিম।
- উলের সোয়েটারের নিচে সুতির ফুলহাতা গেঞ্জি পরুন।
- কাপড় ধোয়ার পর ভালো করে ধুয়ে ডিটারজেন্ট বের করুন। কড়া সুগন্ধির ফ্যাব্রিক সফটনার বাদ দিন।
- রুম হিটার চালালে ঘরে এক বালতি পানি রাখুন, আর হিটারের খুব কাছে বসবেন না।
- পুরো দিনের রুটিন কীভাবে সাজাবেন, দেখুন শীতের ২৪ ঘণ্টার স্কিনকেয়ার রুটিনে।
সাধারণ ভুল
- নিজে নিজে স্টেরয়েড ক্রিম লাগাবেন না। ফার্মেসি থেকে "চুলকানির মলম" বলে যা দেওয়া হয়, তার অনেকগুলোতে স্টেরয়েড থাকে যা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া লাগানো ঠিক নয়, আর কখনো তাতে অ্যান্টিফাঙ্গাল মেশানো থাকে। ছত্রাকের সংক্রমণে এগুলো দিলে শুরুতে একটু কমে, তারপর দাগ আরও বড় হয়ে ছড়ায়, আর লম্বা সময় দিলে চামড়া পাতলা হয়ে যায়।
- সরিষার তেল মেখে রোদে বসা। অনেকের আরাম লাগে, কিন্তু কারও কারও ত্বকে জ্বালা বাড়ায়। বিস্তারিত সরিষার তেলের গাইডে।
- ডেটল বা স্যাভলন পানিতে গোসল। এতে ত্বক আরও শুকায়। চুলকানি জীবাণুর কারণে নয়, শুষ্কতার কারণে হলে এর কোনো লাভ নেই।
- সুগন্ধি লোশন। চুলকানো ত্বকে সুগন্ধি জ্বালা বাড়াতে পারে। সুগন্ধি ছাড়া বেছে নিন।
- দিনে একবার ক্রিম দিয়ে থেমে যাওয়া। শীতে খুব শুষ্ক ত্বকে দিনে দুবার লাগে।
- জোরে চুলকানো। এতে ত্বক ছিঁড়ে যায়, আরও চুলকায়, আর সংক্রমণ হতে পারে।
বাংলাদেশের বাস্তবতা
ঢাকা থেকে রংপুর, শীতে বেশিরভাগ বাড়িতে গোসলের জন্য পানি গরম করা হয়, আর পানি যত গরম তত "ভালো" মনে করা হয়। লাইফবয় বা গন্ধওয়ালা সাবান পুরো পরিবার একসঙ্গে ব্যবহার করে। লেপ-কম্বল রোদে দেওয়া হয়, কিন্তু উলের কম্বল সরাসরি গায়ে লাগে। এই সব মিলে শীতের চুলকানি বাড়ে। আবার আমাদের দেশে খোস-পাঁচড়া (স্ক্যাবিস) আর দাদ খুব ছোঁয়াচে, বিশেষ করে হোস্টেল, মাদ্রাসা আর বড় পরিবারে। তাই "শীতের চুলকানি" ভেবে সব কিছুকে শুষ্কতা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। দাদ চেনার উপায় আছে দাদ (টিনিয়া) লেখায়, আর একজিমা থাকলে দেখুন শীতে একজিমার যত্ন। শরীরের বিভিন্ন জায়গা নিয়ে শীতের প্রশ্নের উত্তর একসঙ্গে পাবেন শীতের FAQ: শরীরের বিভিন্ন জায়গা পাতায়, আর মাথা থেকে পা পর্যন্ত পুরো যত্নের জন্য মাথা থেকে পা গাইড।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
শুষ্ক ত্বকের চুলকানি সাধারণত এক-দুই সপ্তাহের যত্নে অনেক কমে যায়। নিচের যেকোনো একটা হলে আর অপেক্ষা না করে ডাক্তার দেখান:
- রাতে চুলকানি অনেক বেশি, আর বাড়ির আরেকজনেরও চুলকাচ্ছে। আঙুলের ফাঁক, কবজি, কোমর, বগল বা যৌনাঙ্গের কাছে ছোট দানা থাকলে এটা স্ক্যাবিস হতে পারে। এর চিকিৎসায় ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ লাগে, আর পরিবারের সবার একসঙ্গে।
- গোল, কিনারা লালচে, ভেতরে হালকা দাগ যা ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে, বিশেষ করে কুঁচকি, কোমর বা বুকের নিচে। এটা দাদ বা ছত্রাক হতে পারে।
- লাল, আঁশ-ওঠা, পানি-ঝরা ছোপ, বারবার একই জায়গায় ফিরে আসে। এটা একজিমা হতে পারে।
- ত্বকে কিছু দেখা যায় না, কিন্তু সারা গা চুলকায় দুই সপ্তাহের বেশি। এর পেছনে লিভার, কিডনি, থাইরয়েড, ডায়াবেটিস, আয়রনের ঘাটতি বা কোনো ওষুধের প্রভাব থাকতে পারে। চোখ বা প্রস্রাব হলুদ, ওজন কমে যাওয়া, রাতে ঘাম, খুব ক্লান্তি থাকলে দ্রুত যান। রক্ত পরীক্ষা লাগতে পারে।
- হঠাৎ চাকা চাকা ফোলা (আমবাত), বিশেষ করে ঠোঁট বা চোখ ফুলে গেলে বা শ্বাসকষ্ট হলে, সঙ্গে সঙ্গে জরুরি বিভাগে যান।
- চুলকে ঘা হয়ে গেছে, পুঁজ, জ্বর বা ব্যথা আছে।
- গর্ভাবস্থায় হাত-পায়ের তালুতে খুব চুলকানি হলে দেরি না করে নিজের ডাক্তারকে জানান।
- শিশুর সারা গায়ে চুলকানি আর ঘুম নষ্ট হলে শিশু বিশেষজ্ঞ দেখান।
ডাক্তার স্টেরয়েড বা অন্য ওষুধ দিলে কত দিন, কোথায় লাগাতে হবে তা জেনে নিন, আর নিজে থেকে বাড়াবেন বা অন্যকে দেবেন না।
আসল পণ্য কেন কিনবেন
চুলকানো, ফাটা ত্বক এমনিতেই সংবেদনশীল। নকল "সুগন্ধি ছাড়া" ক্রিমে লুকানো সুগন্ধি বা অজানা রাসায়নিক থাকলে চুলকানি আরও বাড়ে। TheSkinProof একটি ইনভয়েস-ভেরিফায়েড স্কিনকেয়ার মার্কেটপ্লেস: প্রতিটি পণ্যের উৎসের ইনভয়েস আমরা যাচাই করি। কোনো পণ্য নকল প্রমাণিত হলে ২ গুণ টাকা ফেরত, ডেলিভারির ৭ দিনের মধ্যে দাবি জানাতে হয়। সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি হয়, ক্যাশ অন ডেলিভারিও আছে।
কী লাগাবেন, কীভাবে লাগাবেন, কোথায় কিনবেন
ধাপে ধাপে, সময় অনুযায়ী। প্রতিটি পণ্য ইনভয়েস যাচাই করা।
- ১
সকালে, বাইরে যাওয়ার আগে
কাপড় পরার আগে হালকা লোশন
সকালে হাত, পা আর পিঠে পাতলা করে লাগান, তারপর উলের নিচে সুতির কাপড়। খুব শুষ্ক হলে ঘন ক্রিমই দিন।
CeraVe Moisturising Lotion for Dry to Very Dry Skin৳১,৬৪৯কিনুন - ২
গোসলের ঠিক পরে
মৃদু সাবান, কুসুম গরম পানি
৫–১০ মিনিটের গোসল। সাবান শুধু বগল, কুঁচকি আর পায়ে। লুফা বা খসখসে গামছা দিয়ে ঘষবেন না।
Cetaphil Gentle Cleansing Bar৳১,১৯০কিনুন - ৩
গোসলের ঠিক পরে
গোসলের ৩ মিনিটের মধ্যে ঘন ক্রিম
চেপে মুছে ভেজা ত্বকে সারা গায়ে। এক হাতে এক চা চামচ, এক পায়ে দুই চা চামচ।
Bioderma Atoderm Crème Ultra-Nourishing Cream৳২,৭৯৯কিনুন - ৪
রাতে
চুলকানো জায়গায় আবার ক্রিম
ঘুমানোর আগে নলা, পিঠ, কোমর আর হাতের বাইরের দিকে। পরিবারের জন্য বড় কৌটা সুবিধাজনক।
Cetaphil Moisturizing Cream for Dry Skin৳৩,৪৪৯কিনুন - ৫
ঘুমানোর আগে
খসখসে ছোট জায়গায় বাম
কনুই বা নলার খুব খসখসে ছোট জায়গায় পাতলা স্তর। নখ ছোট রাখুন। দুই সপ্তাহে না কমলে ডাক্তার দেখান।
Bioderma Atoderm Intensive Baume৳১,৭৯৯কিনুন
💡 চুলকানি উঠলে নখ দিয়ে না চুলকে ঠান্ডা ভেজা কাপড় ৫ মিনিট চেপে ধরুন, তারপর ক্রিম দিন।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
শীতে সারা শরীর চুলকায় কেন?
সবচেয়ে সাধারণ কারণ শুষ্ক ত্বক। শীতে বাতাস শুকনো থাকে, আর গরম পানির লম্বা গোসল, কড়া সাবান ও গায়ে উলের কাপড় ত্বকের তেল তুলে ফেলে। ত্বকে ছোট ফাটল হয়ে চুলকায়। কুসুম গরম পানি, মৃদু সাবান আর গোসলের পর ঘন ক্রিমে সাধারণত এক সপ্তাহে আরাম আসে।
শীতের চুলকানিতে কোন ক্রিম লাগাবো?
সুগন্ধি ছাড়া ঘন ক্রিম, গোসলের ৩ মিনিটের মধ্যে আর রাতে ঘুমানোর আগে। খুব শুষ্ক ত্বকে Bioderma Atoderm Crème Ultra-Nourishing Cream ভালো, পরিবারের জন্য Cetaphil Moisturizing Cream for Dry Skin-এর বড় কৌটা সুবিধাজনক। এক পায়ে প্রায় দুই চা চামচ লাগে। সুগন্ধি লোশন চুলকানো ত্বকে জ্বালা বাড়াতে পারে।
গোসলের পর শরীর চুলকায়, কী করবো?
পানি কুসুম গরম করুন, গোসল ১০ মিনিটের মধ্যে শেষ করুন, আর সাবান শুধু বগল, কুঁচকি ও পায়ে দিন। Cetaphil Gentle Cleansing Bar-এর মতো মৃদু বার ব্যবহার করুন। তোয়ালে দিয়ে চেপে মুছে ৩ মিনিটের মধ্যে সারা গায়ে ক্রিম দিন। গামছা দিয়ে জোরে ঘষবেন না।
রাতে শরীর বেশি চুলকায়, এটা কি স্ক্যাবিস?
হতে পারে, বিশেষ করে বাড়ির আরও কেউ চুলকালে আর আঙুলের ফাঁক, কবজি, কোমর বা বগলে ছোট দানা থাকলে। স্ক্যাবিস ছোঁয়াচে, ক্রিম বা লোশনে যায় না; ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ লাগে, আর পরিবারের সবার একসঙ্গে চিকিৎসা লাগে। তাই দেরি না করে ডাক্তার দেখান।
ফার্মেসির চুলকানির মলম লাগানো কি ঠিক?
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া না। অনেক চুলকানির মলমে এমন স্টেরয়েড থাকে যা নিজে নিজে লাগানো ঠিক নয়, কখনো অ্যান্টিফাঙ্গালও মেশানো থাকে। ছত্রাকের সংক্রমণে এগুলো দিলে দাগ আরও ছড়ায়, আর লম্বা সময় দিলে চামড়া পাতলা হয়। শুষ্কতার চুলকানিতে সুগন্ধি ছাড়া ময়েশ্চারাইজারই যথেষ্ট।
কিছু দেখা যায় না কিন্তু সারা গা চুলকায়, কেন?
শুরুতে শুষ্কতা ভাবুন, দুই সপ্তাহ ঠিকমতো ক্রিম দিন। তারপরও না কমলে ডাক্তার দেখান, কারণ লিভার, কিডনি, থাইরয়েড, ডায়াবেটিস, আয়রনের ঘাটতি বা কোনো ওষুধের প্রভাবে এমন হতে পারে। চোখ বা প্রস্রাব হলুদ, ওজন কমা বা রাতে ঘাম থাকলে দ্রুত যান। রক্ত পরীক্ষা লাগতে পারে।
উলের সোয়েটার পরলে গা চুলকায়, কী করবো?
উলের নিচে একটা সুতির ফুলহাতা গেঞ্জি বা কামিজ পরুন, যাতে উল সরাসরি চামড়ায় না লাগে। মাফলারের নিচে সুতির ওড়না বা স্কার্ফ দিন। সকালে কাপড় পরার আগে Cetaphil Moisturizing Cream for Dry Skin-এর মতো ক্রিম লাগালে খোঁচা কম লাগে। উলের কম্বলেও সুতির কভার দিন।
